লিখেছেন: অবিনাশ রায়
নৈর্ঋতে নৈতিকতার আহ্ববান,
অধেঃ অধমের জয়গান,
ঊর্ধ্বে শূন্যে ফাঁকা আস্ফালন।
কখোনো বা দৃষ্টি মেলে,
কখোনো চোখ বন্ধ করে,
বিরামহীন বৃথা চেষ্টা।
এরপরও যা চোখের সামনে ভাসে নি; দৃষ্টি গোচর হয়নি,
যা দেখা যায়নি; তা যাবেও না। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন: অবিনাশ রায়
নৈর্ঋতে নৈতিকতার আহ্ববান,
অধেঃ অধমের জয়গান,
ঊর্ধ্বে শূন্যে ফাঁকা আস্ফালন।
কখোনো বা দৃষ্টি মেলে,
কখোনো চোখ বন্ধ করে,
বিরামহীন বৃথা চেষ্টা।
এরপরও যা চোখের সামনে ভাসে নি; দৃষ্টি গোচর হয়নি,
যা দেখা যায়নি; তা যাবেও না। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন: সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থ
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং ঋণগ্রস্ত রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহামান্য (!) পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন বাংলাদেশে ২৪ ঘন্টার একটি সংক্ষিপ্ত সফর করে গেলেন। আমাদের মত তথাকথিত ৩য় বিশ্বের দেশের কাছে, বিশেষত এর শাসকগোষ্টির (ক্ষমতার ভিতর-বাহির উভয় পক্ষ) কাছে তার এই ২৪ ঘন্টার ছোট সফর গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহের মধ্যে এ এক পরম শান্তির সুবাতাস। তার এই সংক্ষিপ্ত অথচ গুরুত্বপূর্ণ সফরকে ঘিরে নানা আলোচনা-আশাবাদ-শঙ্কা তৈরী হচ্ছে। পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছেই। হিলারী ক্লিনটনের এই সফরে এ ভুখন্ডে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যে আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছিল, তা স্পষ্টতই স্পষ্ট।
যতটুক বুঝা যাচ্ছে হিলারী ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের সময় আলোচনায় উভয় দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রতিরক্ষার বিষয়, এমন কি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের বিষয়টিও আলোচনায় প্রাধান্য পায়। স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হবার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সারাবিশ্বে বন্ধু (!) সংখ্যা বাড়াতে সবসময়য়ই সচেষ্ট এবং এই ক্ষেত্রে তারা সামরিক, বিশ্বায়নের নামে ফিন্যান্স পুঁজির অবাধ প্রবাহ এবং নিরাপত্তা ইস্যুকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়। একসময়ের তলাবিহীন ঝুড়ি বাংলাদেশ যে তাদের নয়া-উপনিবেশবাদের ক্রীড়াক্ষেত্রে পরিণত হয়ে উঠছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন: বন্ধু বাংলা
ছু মন্তর ছু …
বাতাসে মন্ত্র ছুঁড়ে দিয়ে, ত্রিকালদর্শী এক সিদ্ধ-চিত্ত
মগ্নচৈতন্যে সিদ্ধ-ধ্যানে বসে, সিদ্ধ চোখে দেখে…
মননে-মগজে, নিঃশ্বাসে-বিশ্বাসে, আচারে-অনাচারে
আতর-লোবান-কর্পূরের গন্ধে; ঢাকা পড়েছে আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা,
শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ, স্মৃতি একাত্তর আর বধ্যভূমির নৃশংসতা।।
জগদ্দল পাথরের মত যেন ভর করেছে
মমিকৃত শবের ফেরাউনের পিরামিড,
কুয়াকাটা থেকে তামাবিল, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া
দরগার লালসালুতে পড়েছে ঢাকা… গোটা বাংলাদেশ। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন: আহমদ জসিম
সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বাংলাদেশ সফর করে গেল। সরকারের ভাষ্যমতে এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করার জন্য। অথচ আমরা সাধারণ জনগণ আমাদের সাধারণ অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝি বর্তমান বিশ্বে ডাকাতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া মার্কিন মুল্লুকের কর্তা-ব্যক্তিদের সফর আদপে তাদের অনুগত শাসকের কাছ থেকে লুটের স্বীকারোক্তি আদায় করার আয়োজন মাত্র। আর ক্ষমতার মসনদে বসার জন্য আমাদের দেশের শাসকশ্রেণীর সকল অংশের হিলারির আর্শিবাদ পাওয়ার প্রতিযোগিতা আমরা দেখেছি রীতিমতো হতবিহ্বল হয়ে।
দেশে চলমান রাজনৈতিক সংকট তত্ত্বধায়ক সরকার প্রসঙ্গ নিয়ে। যে সংকট মহাবিপদ সংকেত হিসেবে আমাদের সামনে ঝুলে আছে। ঠিক এই রকম এক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সাম্রাজ্যবাদের মদদপুষ্ট ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন সরকার ক্ষমতায় এসেছিল। আমরা কী আবারও সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। অতি নাটকীয় কিছু না ঘটলে আদতে সেই সম্ভাবনা ১০০ভাগ। সেই সম্ভাবনা শতভাগ মনে করার কারণ, শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী থেকে শেখ হতে চেয়েছিল। আর খালেদা জিয়া তার সর্বশেষ শাসনকালে আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে গদি চিরস্থায়ী করতে ছেয়েছিল। এখন সেই ভূত চেপেছে হাসিনার মাথায়। তাদের প্রভু রাষ্ট্রের প্রতিনিধি এসে সবক দিয়ে গেছে, চলমান সংকট নিয়ে দুই নেত্রীর সংলাপে বসতে হবে। তার সাথে সুর মিলিয়েছে সাম্রাজ্যবাদের অনুগত সুশীল সমাজ আর কর্পোরেট মিড়িয়াগুলো। ক্ষমতার মোহে হাসিনা এতটাই মশগুল আজ সে প্রভুর আদেশ মানতেও নারাজ। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন: মাহবুব হাসান

জুলিয়াস ফুচিক
প্রিয়তমা আমার, হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া নদীর ঢালু পাড়ের পর ঠেসে দেওয়া রোদ্দুরে দুটি ছোট্ট শিশুর মতো দু’জনে হাত ধরে আর কোন দিন যে আমরা বেড়াতে পারবো, তার আশা কম। আর কোনদিন যে আমরা সুখে শান্তিতে লিখতে বসবো, বন্ধুত্ব দিয়ে আমাদের ঘিরে রাখবে বই; আবার কোনদিন যে আমি লিখবো সেই সব কথা, দু’জনে আমরা যা দিনের পর দিন বসে আলোচনা করেছি, পঁচিশটা বছর ধরে যত কিছু আমার মধ্যে জমা হয়েছে, অঙ্কুরিত হয়েছে যত কিছু-তার আশা কম। আমার বইগুলোকে কবর দিয়ে ওরা এরই মধ্যে আমার জীবনের একটি অঙ্গ খসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু হাল আমি কিছুতেই ছাড়বো না; হার মেনে নিয়ে জীবনের অন্য অঙ্গটাকেও ২৬৭ নম্বরের এই সাদা একেবারে নিঃশেষে মিশিয়ে দিতে আমি রাজি নই। তাই মুত্যুর কাছ থেকে চুরি করে আনা এই সময়টুকুতে আমি চেক সাহিত্য নিয়ে লিখছি। সে লেখাগুলো যে তোমাদের হাতে পৌঁছে দেবে, তার কথা যেন কোন দিন একমুহূর্তের জন্যও ভুলে যেও না। সে ছিল বলেই মুত্যু আমাকে পুরোপুরি গ্রাস করতে পারেনি। তার দেওয়া কাগজ-পেন্সিল আমার মধ্যে যে আবেগ জাগায়, একমাত্র প্রথম প্রেমেই তা পারে। শব্দগুলোকে বাক্যের ছাঁচে ঢালতে গিয়ে চোখ আমার খোলে যায়; আমি অনুভব করি, স্বপ্ন দেখি। মৌলিক মালমশলা ছাড়া, গবেষণা ছাড়া লেখা শক্ত হবে। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন:বন্ধুবাংলা
চুক-চুক পদলেহনের শব্দ শোনার কথা, কিন্তু শুনছি কই? এমএলএমকোম্পানির মত রাজনীতিবিদরা প্রতারণার ফাঁদ পেতে বছরের পর বছর জোঁকের ন্যায় জাতির রক্ত নিঃশব্দে চুষে খাচ্ছে তাও দেখছি না। কানে তুলা নয়, তালা দেয়া আছে! দুর্বল দৃষ্টিশক্তি ভাল দেখে না! তথাপি একটা ছবি দেখে চমকে উঠলাম!! তবে ছবির কথায় পরে আসি। আগে কিছু প্যাঁচাল পারি!
আমার পূর্বের লেখায় কৃষকের সাথে সরকারের প্রতারণার কথা উল্লেখ করেছিলাম। সেই সূত্র ধরেই আগামী কৃষি বাজেটের উপর সরকারের ভাবনা কি জানার আগ্রহ ছিল। পত্রিকার মারফতে পেয়েও গেলাম মন্ত্রী মতিয়াকে ও মন্ত্রী মুহিত মাল সাহেবকে; অর্থাৎ, তাদের মন্ত্রণালয়ের হাড়ির খবর। অর্থ ও কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষির সাফল্যের ধরে রাখতে আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কৃষি খাতকে। কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আসন্ন ২০১২-১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব করা হয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। তিনি আরও বয়ান করেছেন “প্রধানমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলেছেন। তার নির্দেশ পালন করেছি। কৃষকদের সঙ্গে চলতে চলতে তাদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।”( হঠাৎ যেন মুখে তেঁতো স্বাদ পেলাম )। সুত্র:
http://www.samakal.com.bd/details.php?news=14&action=main&option=single&news_id=257301&pub_no=1045
যাই হোক, আবার তেঁতো স্বাদ পেলাম অন্য একটি খবরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্দর মহলের কথায়।
অন্য একটি জাতীয় দৈনিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেছেন, আগামী ২০১২-১৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার তত বাড়ছে না। অর্থসংকটে সরকারকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেছেন, অনুন্নয়ন-উন্নয়ন মিলিয়ে বাজেটের মোট আকার হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে বার্ষিক (অ)উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাজেট হবে ৫৪ হাজার কোটি টাকার। বিস্তারিত পড়ুন…
লিখেছেন: রাশেদুল হক
আসমুদ্র হিমাচলে উঠেছে আগুনের ঝড়
হিমবাহ থেকে কঠিন প্রস্তর
যাচ্ছে গলে, জ্বলে যাচ্ছে নিরন্তর
তোমার মসৃণ পেলব ত্বক, চিকন ঠোট
সুডৌল স্তন, নিতম্ব, যোনি কিংবা
অল্প চর্বিযুক্ত পুরো দেহটাই যদি ছাই হয়ে
বাতাসে মিশে যায় কর্পূরের মতো বিস্তারিত পড়ুন…
একটি মঙ্গলধ্বনি প্রকাশনা। আরএসএস | উপরে আসুন ↑
Facebook
Twitter
Wordpress
RSS
GooglePlus